একনজরে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি

একনজরে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি।

নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি:কতকগুলি ব‍্যঞ্জন‌সন্ধি সূত্র অনুসারে হয় না। এই রূপ সন্ধিকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়। নিচের সন্ধিগুলি নিপাতনে সিদ্ধ।এই গুলো মুখস্থ রাখুন ঠোঁটের আগায়। হরি+চন্দ্র = হরিশ্চন্দ্র পতৎ+অঞ্জলি = পতঞ্জলি বন+পতি = বনস্পতি তৎ+কর = তস্কর দিব্+লোক = দ‍্যুলোক আ+চর্য = আশ্চর্য বৃহৎ+পতি = বৃহস্পতি এক+দশ = একাদশ পর+পর = পরস্পর গাে+ অক্ষ = …

একনজরে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি। Read More »

একনজরে নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাস

একনজরে নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাস।

নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাস : যে বহুব্রীহি সমাস কোন নিয়মের অধীনে নয় তাকে নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি বলা হয়। যেমন:- দু দিকে অপ যার = দ্বীপ। অন্তর্গত অপ যার = অন্তরীপ। নরাকারের পশু যে = নরপশু। জীবিত থেকেও যে মৃত = জীবন্মৃত। পণ্ডিত হয়েও যে মূর্খ= পণ্ডিতমূর্খ।

একনজরে নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ

একনজরে নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ

সংজ্ঞা: যে শব্দ গুলোর কোন পুরুষ বাচক রূপ নেই সেগুলোকে নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলা হয়। নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ: সতীন, সপত্নী, সৎমা, সধবা, বিধবা, বিমাতা, এয়ো, দাই, দাইমা, ডাইনি, পেতনি, বাইজি, শাঁখিনী, শাঁখচুন্নি, অর্ধাঙ্গিনী, কলঙ্কিনী,পোয়াতি, ললনা, অঙ্গনা, অন্তঃসত্ত্বা, সুজলা, সুফলা, সজনী,অসূর্যস্পর্শা, অরক্ষণীয়া, কুলটা, রূপসী, ধনি, প্রথমা, ষোড়শী, চতুর্দশী ইত্যাদি।

একনজরে নিত্য সমাস

একনজরে নিত্য সমাস।

নিত্য সমাস:যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না, কিংবা ব্যাসবাক্য করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে।(অর্থাৎ,যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে, ব্যাসবাক্যের দরকার হয় না, তাকে বলে নিত্য সমাস। তদর্থবাচক ব্যাখ্যামূলক শব্দ বা বাক্যাংশ যোগে এগুলোর অর্থ বিশদ করতে হয়।) যেমন: অন্য দেশ = দেশান্তর অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর অন্য ধর্ম …

একনজরে নিত্য সমাস। Read More »

একনজরে উপপদ তৎপুরুষ সমাস

★★ উপপদ তৎপুরুষ সমাসের বৈশিষ্ট্য: উপপদ তৎপুরুষ সমাসের পূর্বপদটি বিশেষ্য ও পরপদটি কৃদন্ত পদ হয়। কৃদন্ত পদকে ক্রিয়াবাচক পদ‌ও বলা হয়। ★★ কৃদন্ত পদ কাকে বলে? কৃদন্ত শব্দের অর্থ হল কৃৎ অন্তে যার; অর্থাৎ, যার শেষে কৃৎ প্রত্যয় আছে। কৃৎ+অন্ত= কৃদন্ত। আমরা জানি, যে প্রত্যয়গুলি ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে শব্দ গঠন করে তাদের কৃৎ প্রত্যয় …

একনজরে উপপদ তৎপুরুষ সমাস Read More »

একনজরে অপাদান কারক

একনজরে অপাদান কারক।

অপাদান কারক: যা থেকে কিছু উৎপন্ন,চলিত, নির্গত, নিঃসৃত, উত্থিত, পতিত,বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে।  ★এই কারক নির্ণয়ের সূত্র: বাক্যানুসারে ‘কি থেকে’ বা ‘কিসের থেকে’ প্রশ্ন সাপক্ষে যদি উত্তর পাওয়া যায়, তবে তা অপাদান কারক হিসাবে বিবেচিত হবে। ★অপাদান কারক থেকে কোন …

একনজরে অপাদান কারক। Read More »

একনজরে ” ধ্বনিতত্ত্ব”।

(১) ভাষার মূল উপাদান হচ্ছে ধ্বনি। (২) ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি। (৩) ধ্বনি উচ্চারণে মানব শরীরের যেসব প্রত্যঙ্গ জড়িত সেগুলোকে একত্রে বাগযন্ত্র বলে। (৪) স্বরযন্ত্র মানবদেহে শব্দ উৎপন্ন করে। (৫) বর্ণ হচ্ছে ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক। (৬) মাত্রার উপর ভিত্তি করে বর্ণ তিন প্রকার। যথা- মাত্রাহীন বর্ণ, অর্ধমাত্রার বর্ণ, পূর্ণমাত্রার বর্ণ। (৭) পূর্ণমাত্রার বর্ণ- ৩২ টি। …

একনজরে ” ধ্বনিতত্ত্ব”। Read More »

এক নজরে বাংলা সাহিত্যের কনফিউশন বিষয়

একনজরে বাংলা সাহিত্যের কনফিউশন বিষয়

বাংলা সাহিত্যে একই নামের কিছু সাহিত্যকর্ম যা সব সময়ই কনফিউশন তৈরি করে তাই এগুলো ভালোভাবে মনে রাখা প্রয়োজন। ★★একাত্তরের দিনগুলি (ডায়েরি)- জাহানারা ইমাম। ★★একাত্তরের ডায়েরি (স্মৃতিকথা)- বেগম সুফিয়া কামাল। ★★ একাত্তরের নিশান- রাবেয়া খাতুন। ★★ একাত্তরের বর্ণমালা- এম. আর. আখতার মুকুল। ★★ একাত্তরের কথামালা – বেগম নূরজাহান। ★★একাত্তরের রণাঙ্গন- শামসুল হুদা চৌধুরী। ★★একাত্তরের বিজয় গাঁথা- …

একনজরে বাংলা সাহিত্যের কনফিউশন বিষয় Read More »

একনজরে বাংলা সাহিত্যে যত জনক

একনজরে বাংলা সাহিত্যে যত জনক

(১) বাংলা গদ্যের জনক→ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। (২) আধুনিক বাংলা কবিতার জনক→ মাইকেল মধুসূদন দত্ত। (৩) বাংলা উপন্যাসের জনক→ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। (৪) আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনক→ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। (৫) আধুনিক বাংলা নাটকের জনক→ মাইকেল মধুসূদন দত্ত। (৬) বাংলা মুক্তক ছন্দের জনক→ কাজী নজরুল ইসলাম। (৭) বাংলা চলচ্চিত্রের জনক→ হীরালাল সেন। (উপমহাদেশের চলচ্চিত্রেরও জনক হীরালাল সেন) (৮) …

একনজরে বাংলা সাহিত্যে যত জনক Read More »

এক নজরে বাংলা ভাষার ইতিহাসে যা কিছু প্রথম

একনজরে বাংলা ভাষার ইতিহাসে যা কিছু প্রথম

(১) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম গ্রন্থ- চর্যাপদ (রচনাকাল-৬৫০-১২০০)। (২) বাংলা সাহিত্যে প্রাচীন যুগের প্রথম কবি- লুইপা। (৩) বাংলা সাহিত্যে মধ্য যুগের প্রথম কবি- বড়ু চণ্ডীদাস। (৪) বাংলা সাহিত্যের প্রথম রাজধানী বা কেন্দ্রবিন্দু ছিল- আরাকান রাজসভা বা রোসাঙ্গ রাজসভা। (৫) বাংলা ভাষায় লৌকিক কাহিনির প্রথম রচয়িতা- দৌলত কাজী। (৬) বাংলা ভাষায় চলিত রীতিতে লেখা প্রথম গ্রন্থ …

একনজরে বাংলা ভাষার ইতিহাসে যা কিছু প্রথম Read More »

একনজরে পূর্তি উদযাপনের বিভিন্ন পরিভাষা

একনজরে পূর্তি উদযাপনের বিভিন্ন পরিভাষা

পূর্তি উদযাপনের বিভিন্ন পরিভাষা: ২৫ বছর পূর্তিকে বলা হয়- রজত জয়ন্তী। ৫০ বছর পূর্তিকে বলা হয়- সুবর্ণ জয়ন্তী। ৬০ বছর পূর্তিকে বলা হয়- হীরক জয়ন্তী। ৭৫ বছর পূর্তিকে বলা হয়- প্লাটিনাম জয়ন্তী। ১০০ বছ পূর্তিকে বলা হয়- শতবর্ষ। ১৫০ বছর পূর্তিকে বলা হয়- সার্ধশত বর্ষ। ২০০ বছর পূর্তিকে বলা হয়- দ্বি-শত বর্ষ।

একনজরে চর্যাপদের খুঁটিনাটি

একনজরে চর্যাপদের খুঁটিনাটি

(১) বাংলা ভাষার বা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন – চর্যাপদ। (২) চর্যাপদ আবিষ্কার করেন- মহামহােপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। (৩)  চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয়– ১৯০৭ সালে নেপালের রাজ দরবারের পুঁথিশালা থেকে। (৪) চর্যাপদ প্রথম প্রকাশিত হয়– ১৯১৬ সালে। (৫) প্রথম প্রকাশের সময় চর্যাপদের নাম ছিল- ‘হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষার বৌদ্ধগান ও দোহা।’ (৬) চর্যাপদের রচিয়তারা ছিলেন- বৌদ্ধ ধর্মালম্বী। …

একনজরে চর্যাপদের খুঁটিনাটি Read More »

এক নজরে কে কাকে কোন গ্রন্থ উৎসর্গ করেন

একনজরে কে কাকে কোন গ্রন্থ উৎসর্গ করেন?

❁ বসন্ত (নাটক)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর উৎসর্গ করেন কাজী নজরুল ইসলামকে। ❁ তাসের দেশ (নাটক)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর উৎসর্গ করেন নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুকে। ❁ কালের যাত্রা (নাটক)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর উৎসর্গ করেন শরৎচন্দ্র চট্টোপ্যাধায়কে। ❁ চার অধ্যায় (উপন্যাস)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর উৎসর্গ করেন কারাবন্দীদের। ❁ সঞ্চিতা (কাব্যগ্রন্থ)- কাজী নজরুল ইসলাম উৎসর্গ করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। ❁ ছায়ানট (কাব্যগ্রন্থ)- কাজী …

একনজরে কে কাকে কোন গ্রন্থ উৎসর্গ করেন? Read More »

একনজরে কে কাকে কী উপাধি দিয়েছিল

একনজরে কে কাকে কী উপাধি দিয়েছিল?

(১) প্রশ্নঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে “ বিশ্বকবি ” উপাধি দিয়েছিলেন কে? উত্তরঃ পন্ডিত রোমান ক্যাথলিক ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায়। (২) প্রশ্নঃ শেখ মুজিবুর রহমানকে “ বঙ্গবন্ধু ” উপাধি দিয়েছিলেন কে? উত্তরঃ তোফায়েল আহমেদ। (৩) প্রশ্নঃ বিহারীলাল চক্রবর্তীকে “ ভোরের পাখি ” উপাধি কে দিয়েছিলেন? উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। (৪) প্রশ্নঃ রাম মোহন রায়কে “ রাজা ” উপাধি কে দিয়েছিলেন? …

একনজরে কে কাকে কী উপাধি দিয়েছিল? Read More »

একনজরে কবি সাহিত্যিকদের উপাধি

একনজরে কবি-সাহিত্যিকদের উপাধি

 উপাধি- আসল নাম (১) বিদ্রোহী কবি- কাজী নজরুল ইসলাম। (২) বিশ্ব কবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। (৩) সাহিত্য সম্রাট- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। (৪) স্বভাব কবি- গোবিন্দ দাস। (৫) মহাকবি- কাজেম আল কুরায়শী। (৬) মহাকবি- আলাওল। (৭) চারণ কবি- মুকুন্দ দাস। (৮) নাগরিক কবি- সমর সেন। (৯) কিশোর কবি- সুকান্ত ভট্টাচার্য। (১০) ক্লাসিক কবি- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত। (১১) ছান্দসিক কবি- …

একনজরে কবি-সাহিত্যিকদের উপাধি Read More »

কবি সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম

একনজরে কবি সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম

প্রকৃত নাম- ছদ্মনাম (১) প্রমথ চৌধুরী- বীরবল। (২) মনিরুজ্জামান- হায়াৎ মাহমুদ। (৩) বিমল কুমার ঘোষ- মৌমাছি। (৪) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়- অনিলা দেবী। (৫) প্যারীচাঁদ মিত্র- টেকচাঁদ ঠাকুর। (৬) মঈনুদ্দিন আহমেদ- সেলিম আল দীন। (৭) কাজেম আল কোরেশী- কায়কোবাদ। (৮) মোহাম্মদ জহিরুল্লাহ- জহির রায়হান। (৯) অনন্ত বড়ু- বড়ু চন্ডীদাস। (১০) কালীপ্রসন্ন সিংহ- হুতুম পেঁচা। (১১) বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়- …

একনজরে কবি সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম Read More »

বেসিক ইংলিশ (পর্ব-৬) Person (পুরুষ) এবং Person এর প্রকারভেদ

  Person (পুরুষ) ★★ Person (পুরুষ): Sentence বা বাক্যে যে কথা বলে, যার সঙ্গে বলা হয় এবং যার সম্পর্কে বলা হয়, তাকে person বা পুরুষ বলে।                      ★★ Person বা পুরুষ তিন প্রকার। যথা- 1. First Person. 2. Second Person. 3. Third Person. ★★ First person (উত্তম পুরুষ): sentence বা বাক্যে যে কথা বলে, তাকে first person …

বেসিক ইংলিশ (পর্ব-৬) Person (পুরুষ) এবং Person এর প্রকারভেদ Read More »

বেসিক ইংলিশ (পর্ব-৫) Sentence(বাক্য), Subject বা উদ্দেশ্য, Predicate বা বিধেয়

★ Sentence(বাক্য): একটি sentence বা বাক্যের দুটি প্রধান অংশ থাকে। যথা- Subject বা উদ্দেশ্য। Predicate বা বিধেয়। ★ Subject: বাক্যে যার সম্পর্কে কোনাে কিছু বলা হয়, তাকে Subject বা উদ্দেশ্য বলে। যেমন-  Anas is a good boy. (আনাস একজন ভালাে ছেলে) সহজ কথায়, বাক্যের কর্তাকেই উদ্দেশ্য বলা হয়। এখানে, আনাস সম্পর্কে বলা হয়েছে। সুতরাং আনাস …

বেসিক ইংলিশ (পর্ব-৫) Sentence(বাক্য), Subject বা উদ্দেশ্য, Predicate বা বিধেয় Read More »

বেসিক ইংলিশ (পর্ব-৪) Syllable (শব্দাংশ) এবং Syllable এর প্রকারভেদ

★ Syllable (শব্দাংশ): ইংরেজিতে একটি Word বা শব্দের যতটুকু অংশ একবারে উচ্চারণ করা যায় তাকে Syllable বলে। যেমন:- Pen, Book, Man, Fan, Mother, Popular, ইত্যাদি। ★ Syllable চার প্রকার: যথা- ★ Mono-syllable (এক শব্দাংশ শব্দ): যে word একবারে উচ্চারণ করা যায়, তাকে Mono-syllable বলে। যেমন:- Man, Pen, Fan, Book, Sun, Moon ইত্যাদি। ★ Di-syllable(দুই শব্দাংশ …

বেসিক ইংলিশ (পর্ব-৪) Syllable (শব্দাংশ) এবং Syllable এর প্রকারভেদ Read More »

বেসিক ইংলিশ (পর্ব-৩) উচ্চারণের দিক থেকে Alphabet এর প্রকারভেদ

★★ উচ্চারণের দিক থেকে Alphabet/Letters আবার দুই প্রকার। যথা- Vowel (স্বরবর্ণ)  Consonant (ব্যঞ্জনবর্ণ) ★ Vowel (স্বরবর্ণ): যে সকল Letter বা বর্ণ অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়া নিজে নিজে উচ্চারিত হতে পারে সে সব বর্ণকে Vowel বলে। ইংরেজিতে Vowel পাঁচটি। যথা: A, E, I, O, U (এক শব্দে Abstemious-সংযমী) ★ Consonant (ব্যঞ্জনবর্ণ): যে সকল Letter বা বর্ণ …

বেসিক ইংলিশ (পর্ব-৩) উচ্চারণের দিক থেকে Alphabet এর প্রকারভেদ Read More »

Shopping Cart
error: Content is protected !!